Main Menu

কারাগারে মুসলিম বন্দীদের ইফতারে শুকরের মাংস

যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগারে পবিত্র রমজান মাসে মুসলিম বন্দীদের ইফতারের সময় শুকরের মাংস সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে দেশটির আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে মুসলিম অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠন দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন্স (সিএআইআর)।
গত মঙ্গলবার দায়েরকৃত ওই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ মুসলিম নাগরিক অধিকার বিষয়ক সংগঠনটি বলেছে, নিষ্ঠুর ও অস্বাভাবিক শাস্তির বিষয়ে যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা মানেছে না আলাস্কার ওই কারগার কৃর্তপক্ষ।

ওই মামলার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার মুসলিম বন্দীদের এ ধরনের খাবার সরবরাহ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে একটি আদেশ দেয় আদালত। সিএআইআর বলছে, আলাস্কার আদালত আমাদের আবেদনটি মঞ্জুর করে এ বিষয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং সরকারপ্রণীত স্বাস্থ্যনির্দেশিকা অনুযায়ী বন্দীদের পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সাধারণত রোজা পালনের সময় একজন ব্যক্তির দৈনিক আড়াই হাজার ক্যালরির দরকার হয়, সেখানে মুসলমান বন্দীদের যে ধরনের খাবার দেয়া হয় তা থেকে এক হাজার ১০০ ক্যালরি পাওয়া যায়। এছাড়া বন্দীর যে খাবারের প্যাকেট সরবরাহ করা হয় ওই খাবার শুকরের মাংস দিয়ে প্রস্তুত করা। অথচ শুকরের মাংসকে ইসলামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

দোকানেই পবিত্র কোরআন শেখান স্বর্ণকার

নিজ দোকানে ছাত্রদের পবিত্র কুরআন শিক্ষা দেন মেসিডোনিয়ার রাজধানী স্কোপিয়ের একজন স্বর্ণকার। নিজের দোকানে দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি আগ্রহী ছাত্রদের পবিত্র কুরআন পড়তে ও বুঝতে শেখান তিনি। স্বর্ণ গলিয়ে অলঙ্কার তৈরি করার সময় প্রতিদিনই নাজমুদ্দিন বুশি নামে এই স্বর্ণকার ছাত্রদের পবিত্র কুরআন পাঠের শিক্ষা দিয়ে থাকেন। তার মতে, এটি তার দ্বিতীয় প্রধান কাজ।
তিনি কারিগর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তার বাবা, চাচা ও ভাইয়েরা এখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে কারিগর হিসেবে কাজ করে থাকেন বলে আনাদোলু এজেন্সিকে জানিয়েছেন বুশি। তিনি বলেন, কর্মজীবনে প্রবেশের তাড়নায় তিনি স্কোপিয়ের আলাক মসজিদে শিক্ষাগ্রহণ ত্যাগ করার পর তার পক্ষে আর পবিত্র কুরআনের হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু তার বাবা চেয়েছিলেন তার সন্তানদের মধ্যে কেউ একজন কুরআনের হাফেজ হোক।

বুশি বলেন, ‘আমার শিক্ষাজীবনে প্রয়োজনের সময় বিভিন্নভাবে আমাকে যারা সাহায্য করেছেন তাদের কাছে আমি ঋণী। আর এই দায় থেকেই আমি শিক্ষার্থীদের পবিত্র কুরআন শিক্ষা দিয়ে থাকি।’ তিনি প্রতি বছর চার থেকে সাতজনকে পবিত্র কুরআন শিক্ষা দেন। বুশি আরো বলেন, ‘আমার কাছে সাত, আট ও নয় বছর বয়সী শিক্ষার্থী থেকে সর্বোচ্চ ৫৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থীও আছে।’

একটি ঘটনার উল্লেখ করে বুশি বলেন, ‘একবার একজন লোক আমার দোকানে এলেন এবং ৩৫-৪০ জন শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআন পড়তে দেখে হতাশ হয়ে গেলেন। আমরা তাকে জিজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছে? তিনি উত্তর দিলেন, এখানে সবাই কুরআন পড়তে জানে কিন্তু তিনি জানেন না। আলহামদুলিল্লাহ, আমি গত বছর তাকে আমার শিক্ষার্থী হিসেবে নিয়েছি এবং তিনি এই বছর তার কোর্স সম্পন্ন করবেন।’

রাজনীতিক, খেলোয়াড় ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার পরিবার থেকে ছাত্ররা তার কাছে পড়তে আসেন বলে জানান তিনি।

সূত্র : www.dailynayadiganta.com

Comments

comments






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Facebook

Likebox Slider Pro for WordPress