শাইখ আব্দুর রহমান আল-হুজাইফি -এর ১৯৯৮ সালের ঐতিহাসিক আগুনঝরা খুতবা
ইসলাম ইহুদ-নাসারাদের ইসলামের অধীর থেকে তাদের নিজ ধর্ম মতে চলার স্বীকৃতি দান করে-যদি তারা অর্থও নিরাপত্তামূলক বিষয়াদিতে ইসলামের আহকাম মেনে চলে। অর্থাৎ অর্থ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ বা ষড়যন্ত্র করলে সে স্বীকৃতি বহাল থাকবে না। ইসলাম তাদেরকে কখনই ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করে না। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ধর্মীয় বিষয়ে কোনো জবরদস্তি নেই, নিশ্চয় হেদায়েতের… (0 comment)

রোযা পালনে পরস্পরে সহযোগী হই | আবু মাইসারা মুনশী মুহাম্মাদ মহিউদ্দিন
মাহে রমযান। তাকওয়া অর্জনের মাস। সহমর্মিতার মাস। প্রতি বছরই সংযম ও নেক আমলের বার্তা নিয়ে এ মাসের আগমনঘটে। এ মাসের প্রতিটি দিনই সাহরী, ইফতার, তারাবীহ, নফল নামায, তিলাওয়াত, যিকির-আযকার ও দান-খয়রাতের মতোবহুবিধ ইবাদতের সমাহার। আর তাই এ মাসে মুসলমানদের দৈনন্দিন রুটিন, আমলের প্রস্তুতি, আমলের উপলক্ষ ও নেককাজের আগ্রহ বরাবরই একটু ভিন্ন হয়ে থাকে। পাশাপাশি এ মাসের অনিবার্য বিষয় যেহেতু, শারীরিক অবসাদ ও ক্লান্তিবোধ, যা রোযার দীর্ঘ উপবাসের কারণে হয়ে থাকেÑ তাই এ সময় অন্যের একটু সহায়তা ও সহমর্মিতা খানিকটা হলে স্বস্তি এনেদিতে পারে রোযাদারের মনে। সুতরাং বরকতপূর্ণ এই মাহে রমযানে রোযা ও অন্যান্য ইবাদতে বরকত লাভের একটি অনিবার্য অনুষঙ্গ হচ্ছে, পারস্পরিকসহযোগিতা ও সহমর্মিতা। তাছাড়া পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা একটি স্বতন্ত্র নেক আমলও। বলা বাহুল্য, মাহেরমযানে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য অন্যান্য ইবাদতের মতই বহু গুণে বৃদ্ধি পায়। নেককাজ ও তাকওয়া অর্জনের ক্ষেত্রে অন্যেরসহায়তা ও সহযোগিতা করা সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছেÑ وَ تَعَاوَنُوْا عَلَی الْبِرِّ وَ التَّقْوٰی ۪ وَ لَا تَعَاوَنُوْا عَلَی الْاِثْمِ وَ الْعُدْوَانِ ۪ وَ اتَّقُوا اللهَ ؕ اِنَّ اللهَ شَدِیْدُ الْعِقَاب. “তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে একে অন্যকে সহযোগিতা করবে। গুনাহ ও যুলুমের কাজে একে অন্যের সহযোগিতাকরবে না। আল্লাহকে ভয় করে চলো। নিশ্চয়ই আল্লাহর শাস্তি অতি কঠিন।” Ñসূরা মায়েদা (৫) : ২ হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছেÑ من نفس عن مؤمن كربة من كرب الدنيا، نفس الله عنه كربة من كرب يوم القيامة، ومن يسر على معسر، يسر الله عليه في الدنيا والآخرة، ومن… (0 comment)

শা‘বান-রমযান : রহমত ও মাগফিরাতের মওসুম
সময় বয়ে চলেছে। আমরাও এগিয়ে চলেছি। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি আমাদের গন্তব্যের দিকে, যা নির্ধারিত হয় বিশ্বাস ও কর্মের দ্বারা। কর্ম ও বিশ্বাসই হচ্ছে চূড়ান্ত গন্তব্যের পথ। তাই কর্ম যদি ভালো হয় তাহলে আশা করা যায় গন্তব্যও ভালো হবে। আমরা নিশ্চয়ই ভালোর প্রত্যাশী। আমাদের মানযিল যেন হয় শান্তির, পরিণাম যেন হয় মুক্তির এজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন… (0 comment)