Homeজান্নাত ও জাহান্নাম

রমযানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা: ওষুধ খেয়ে মহিলারা স্রাব বন্ধ রাখলে, ‍ড্রপের তিক্ততা অনুভব হলে, প্রকাশ্য নিয়ত না করলে

রমযানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা: ওষুধ খেয়ে মহিলারা স্রাব বন্ধ রাখলে, ‍ড্রপের তিক্ততা অনুভব হলে, প্রকাশ্য নিয়ত না করলে
Like Tweet Pin it Share Share Email

মহিলারা যদি রমযান মাসে কোনো ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখে তাহলে ওই দিনগুলোতে রোযা রাখতে পারবে কি না এবং এতে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি না?

উত্তর:

রমযান মাসে কোনো মহিলা ওষুধ খেয়ে স্রাব বন্ধ রাখলে ওই দিনগুলোতেও তাকে রোযা রাখতে হবে। তার এ রোযাগুলো ত্রুটিযুক্ত হবে না; বরং পূর্ণ সহীহ বলেই গণ্য হবে।

উল্লেখ্য, ঋতুস্রাব মহিলাদের স্বভাবজাত বিষয়। এ অবস্থায় রোযা না রাখার বিধান রয়েছে এবং এর পরিবর্তে অন্য সময় রোযা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং রমযানে স্রাব বন্ধকারী ওষুধ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। কেননা রমযানে ¯্রাবের কারণে রোযা না রাখলেও শরীয়তের কোনো বিধান লঙ্ঘন হয় না। উপরন্তু ঔষধ ব্যবহারে কোনো কোনো ক্ষেত্রে  শারীরিক ক্ষতির আশংকা থাকে। তাই এ থেকে বিরত থাকাই উচিত।

-জামিউ আহ্কামিন নিসা ১/১৯৮; ফাতাওয়া রহীমিয়া ৮/১৩৬

প্রশ্ন:

এক ব্যক্তি চোখের অসুস্থতার কারণে ড্রপ ব্যবহার করে এবং ঔষধের তিক্ততা গলায় অনুভব করে। প্রশ্ন হল, রোযা অবস্থায় এ ধরনের ড্রপ ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে কি? দয়া করে জানাবেন।

উত্তর:

না, রোযা অবস্থায় চোখে ড্রপ ব্যবহার করার কারণে গলায় ঔষধের তিক্ততা অনুভূত হলেও রোযা নষ্ট হয় না। সুতরাং রোযা অবস্থায় চোখে ড্রপ ব্যবহার করা যাবে। কোনো সমস্যা নেই।

-ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৩৭৯; রদ্দুল মুহতার ২/৩৯৫; বাদায়েউস সানায়ে ২/২৪৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৩

প্রশ্ন:

আমি প্রতি রমযানেই রোযাগুলো নিয়মিত রাখি। কিন্তু অধিকাংশ রোযাতেই মুখে রোযার নিয়ত উচ্চারণ করি না; বরং রোযা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরীর জন্য উঠে সেহরী খেয়ে নিই এবং অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগী ঠিকমতো করতে থাকি। এমন করার দ্বারা আমার রোযাগুলো সহীহ হয়েছে কি না? নাকি আবার কাযা করতে হবে?

উত্তর:

রোযা রাখার উদ্দেশ্যে ঘুম থেকে ওঠা ও সাহরী খাওয়াটাই রোযার নিয়তের শামিল। নিয়ত মনের ইচ্ছার নাম, এক্ষেত্রে মুখে উচ্চারণ করা জরুরি নয়। তাই আপনার রোযাগুলো সহীহভাবে আদায় হয়েছে।

-আলবাহরুর রায়েক ২/২৫৯; আলজাওহারাতুন নায়্যিরাহ ১/১৭৬; রদ্দুল মুহতার ২/৩৭৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৯৫

Comments (0)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *