Homeসঠিকটা জানি

ভুলে দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে ফেললে নামায কি বাতিল হয়ে যায় ?

ভুলে দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে ফেললে নামায কি বাতিল হয়ে যায় ?
Like Tweet Pin it Share Share Email

ভুল আমল : মাসবুক ব্যক্তি ভুলে দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে ফেললে কি নামায বাতিল হয়ে যায়?

অনেক মানুষকে দেখা যায়, মাসবুক অবস্থায় যদি ইমামের সাথে দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে ফেলে তাহলে মনে করে যে তার নামায বাতিল হয়ে গিয়েছে। ফলে আবার নতুন করে শুরু থেকে নামায পড়ে।
এ আমলটি ভুল। মাসআলা না জানার কারণেই হয়তো তারা এমনটি করেন। এক্ষেত্রে নিয়ম হল, দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে ফেললেও, যদি নামায ভেঙে যায় এমন কোনো কাজ না করা হয় তাহলে উঠে যাবে এবং বাকী রাকাত আদায় করবে। শেষে সাহু সিজদা আদায় করবে।
আর একথা তো সবারই জানা যে, মাসবুক ব্যক্তি ইমামের সাথে সালাম ফেরাবে না। বরং ইমামের দুই দিকে সালাম ফেরানো হলে উঠে বাকী রাকাত আদায় করবে।
আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে মাসআলা জেনে আমল করার তাওফীক দান করুন। -আবু আহমাদ
.
[ মাসিক আলকাউসার » যিলহজ্ব ১৪৩৫ . অক্টোবর ২০১৪ ]

 ভুল উচ্চারণ : সালামের জবাবে ‘অলাইকুম সালাম’

আমাদের অনেকেরই সালাম দিতে গিয়ে বা সালামের উত্তর দিতে গিয়ে অজান্তেই ভুল হয়ে যায়। ইতিপূর্বে (এপ্রিল ২০০৫) সালামের বিভিন্ন ভুল নিয়ে লেখা হয়েছিল। সেখানে সালাম দেয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অনেকের উচ্চারণে যে বিভিন্ন ভুল হয়ে থাকে সে বিষয়ে লেখা হয়েছিল। আজ সালামের জবাব দেয়ার ক্ষেত্রে উচ্চারণে যে ভুল লক্ষ্য করা যায় সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সালাম একটি দুআ। ইসলামের শেআর ও প্রতিক পর্যায়ের একটি আমল। এর সহীহ উচ্চারণের প্রতি গুরুত্ব দেয়া জরুরি। কমপক্ষে এতটুকু বিশুদ্ধ উচ্চারণ অবশ্যই জরুরি, যার দ্বারা অর্থ ঠিক থাকে।
وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ
‘ওয়া আলাইকুমুস সালাম, ওয়া রাহমাতুল্লাহি, ওয়া বারাকাতুহু’
আরবী দেখে এর সহীহ উচ্চারণ শিখে নেয়া উচিত অন্যথায় ন্ঠ বাদ পড়ে যায়- ‘ওয়া আলাইকুমুস সালাম’-এর স্থলে ‘অলাইকুম…’ হয়ে যায়, যা স্পষ্ট ভুল। (দ্র. বাংলায় আরবীর পুরোপুরি সহীহ উচ্চারণ ব্যক্ত করা সম্ভব নয়)।
আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়- আমরা অনেক সময়ই সালামের পূর্ণ জবাব দিতে কার্পণ্য করে থাকি। পুরো উত্তর বলি না,
দায়সারাভাবে উত্তর দিই। অথচ আল্লাহ তাআলা কুরআনেই শিখিয়েছেন; কেউ সালাম দিলে তার চেয়ে উত্তম শব্দে উত্তর দেয়া চায়। সূরা নিসার ৮৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, (তরজমা) ‘‘যখন কেউ তোমাদের সালাম করে, তখন তোমরা তাকে তদপেক্ষাও উত্তম পন্থায় সালাম (জবাব) দিও কিংবা (অন্ততপক্ষে) সেই শব্দেই তার জবাব দিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছুর হিসাব রাখেন।’’
.
[ মাসিক আলকাউসার » শাওয়াল ১৪৩৫ . আগস্ট ২০১৪ ]

Comments (0)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *