Main Menu

নতুন মন্ত্রিসভায় অন্য দলের সদস্যও থাকবে : এরদোগান

তুরস্কের নতুন নির্বাহী প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির প্রথম মন্ত্রিসভায় ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) সদস্য ছাড়াও অন্য পার্টির সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। সোমবার প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল আদেশ জারি করার মাধ্যমে সরকার গঠন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। শুক্রবার আঙ্কারায় প্রাদেশিক প্রধানদের সভায় এরদোগান বলেন, ‘আমাদের সংগঠনসমূহ, পৌরসভা ও প্রাদেশিক সংগঠনসমূহ এবং মন্ত্রীরা আগের মতই একই হবে না। নতুন মন্ত্রিসভায় আমরা একে পার্টির সদস্যদের বাইরে অন্য দলের সদস্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করব।’

৯ জুলাই তার শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুর্কি রাজনীতিতে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে উল্লেখ করে এরদোগান জানান, মন্ত্রিসভা মাধ্যমে গঠনের জন্য একই দিনে তিনি তার প্রথম নির্বাহী আদেশ জারি করবেন। এরদোগান বলেন, ‘মন্ত্রিসভায় একে পার্টির সদস্য ভিন্ন অন্যদের অন্তর্ভুক্তি বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করবে এবং এতে মন্ত্রীরা স্বজনপ্রীতি ছাড়াই স্বাধীনভাবে তাদের কাজ করতে পারবেন।’ তিনি বলেন, ‘এর ফলে কেউ মন্ত্রীদের তাদের নিজস্ব স্বার্থে ব্যবহার করতে পারবে না কিংবা সরাসরি তাদের কোনো কিছু করার নির্দেশ দিতে সক্ষম হবে না।’

তিনি বলেন, নতুন সিস্টেমে প্রধানমন্ত্রীর সকল ক্ষমতা নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের ওপর স্থানান্তরিত হবে, যিনি নির্বাহী শাখার নেতৃত্ব দিবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘নতুন সিস্টেমে একে পার্টির নেতা হবেন সরকারের প্রধান।’ এছাড়াও, একে পার্টি ও ন্যাশনাল মুভমেন্ট পার্টির সমন্বয়ে গঠিত জোটের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন এরদোগান। অপর এক খবরে বলা হয়, কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভের ৭৮তম জন্মদিন উপলক্ষে টেলিফোনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোগান। শুক্রবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট কার্যালয় সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে। টেলিফোনালাপে দুই নেতা সকল ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্ক আরো জোরদার করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

রাজধানী আস্তানাতে অনুষ্ঠিত ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সামিটে যোগদানের জন্য গত সেপ্টেম্বর মাসে এরদোগান কাজাখস্তান সফর করেছিলেন। তুরস্ক ও কাজাখস্তানের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে এবং রাজনৈতিক সম্পর্কসহ কোটি কোটি ডলারের বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা চলছে। আস্তানা চুক্তি অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চলমান সিরিয়ার দ্ব›দ্ব অবসান ঘটাতে তুরস্ক, ইরান ও রাশিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। মানবিক সাহায্য প্রদান এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপদ ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করতে এই আলোচনায় কাজাখস্তান একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।

হুরিয়েত ডেইলি নিউজ, ডেইলি সাবাহ।

https://www.dailyinqilab.com/article/140424

 

Comments

comments






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Facebook

Likebox Slider Pro for WordPress